Monday, May 20, 2019


গুরুত্বপূর্ণ হাদিস:
১. হযরত আবু হোরায়রা (রাযি.) বর্ণনা করেন যে, রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ ফরমাইয়াছেন, কবীরা গুনাহের মধ্যে একটি বড় গুনাহ হইল , কোন মুসলমানের ইজ্জতের উপর অন্যায়ভাবে হামলা করা। (আবু দাউদ)।
২. হযরত আবু হোরায়রা (রাযি.) বর্ণনা করেন যে, রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ ফরমাইয়াছেন, যে ব্যাক্তি মুসলমানদের উপর (খাদ্যদ্রব্যের) মূল্য বৃদ্ধি করার জন্য উহা আটকাইয়া রাখিল, সে গুনাহগার। (মুসনাদে আহমাদ, মাজমায়ে যাওয়ায়েদ)।
৩. হযরত আবু হোরায়রা (রাযি.) বর্ণনা করেন যে, রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ ফরমাইয়াছেন, হিংসা হইতে বাঁচিয়া থাক, হিংসা মানুষের নেকীসমূহকে এমনভাবে খাইয়া ফেলে যেমন আগুন লাকড়িকে খাইয়া ফেলে অথবা বলিয়াছেন ঘাসকে খাইয়া ফেলে। (আবু দাউদ)।
বিস্তারিত জানার জন্য একানে ক্লিক করুন

Tuesday, May 14, 2019

গুরুত্বপূর্ণ হাদিস (১৪ মে, ২০১৯)

রোজা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ হাদিস:
হূজূর
রোজা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ হাদিস:
হূজূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ ফরমাইয়াছেন, অনেক রোজাদার ব্যাক্তি এমন আছে, যাহাদের রোজার বিনিময়ে অনাহারে থাকা ব্যাতিত আর কিছুই লাভ হয় না। আবার অনেক রাত্রী জাগরণকারী এমন আছে, যাহাদের রাত্রি জাগরণের কষ্ট ছাড়া আর কিছুই লাভ হয় না। (ইবনে মাজাহ্, নাসাঈ, ইবনে খুযাইমাহ, হাকিম)
ফায়দা/ব্যাখ্যা: এই হাদিসের ব্যাখ্যা সম্বন্ধে ওলাম
ায়ে কেরামের কয়েকটি অভিমত আছে। 
১. ইহা দ্বারা ঐ ব্যাক্তি কে বুঝানো হইয়াছে, যে সারাদিন রোযা রাখিয়া হারাম মাল দ্বারা ইফতার করে; রোযা রাখার দ্বারা যে পরিমাণ সওয়াব হইয়াছিল হারাম মাল খাওয়ার গোনাহ উহা হইতে বেশি হইয়া গেল। সুতরাং দিনভর শুধু অনাহারে থাকা ব্যাতিত তাহার আর কিছুই লাভ হইল না।
২. ঐ ব্যাক্তিকে বুঝানো হইয়াছে, যে রোযা রাখে, কিন্তু গীবত-শেকায়েত অর্থ্যাৎ অন্যের দোষ চর্চায় লিপ্ত থাকে। ইহারব বিবরণ পরে আসিতেছে।
৩. ঐ ব্যাক্তিকে বুঝানো হইয়াছে, রোযা রাখিয়াও গোনাহ ইত্যাদি হইতে বাঁচিয়া থাকে না। 
হূজূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এরশাদ ও বাণীসমূহ খুবই ব্যাপক ও বহুল অর্থবিশিষ্ট হয়; এইসব অভিমত এবং আরও অন্যান্য অভিমতও এই হাদিসের অন্তর্ভুক্ত রহিয়াছে।
এমনিভাবে রাত্রি জাগরণের অবস্থা। সারা রাত্র জাগিয়া কাটাইল; কিন্তু আমোদ-ফূর্তির জন্য একটু গীবত করিল কিংবা অন্যকোন আহাম্মকী কাজ করিল, যাহাতে তাহার সমস্ত রাত্রি জাগরণ বেকার হইয়া গেল। যেমন ফজরের নামাযই কাজা করিয়া দিল অথবা শুধু মানুষকে দেখানোর জন্য বা সুনাম অর্জনের জন্য রাত্রি-জাগরণ করিল। ফলে উহা বেকার হইল।
“পূর্বের হাদিসে বলা হয়েছে লোক দেখানো ইবাদত আল্লাহ কবুল করেন না। ” সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ ফরমাইয়াছেন, অনেক রোজাদার ব্যাক্তি এমন আছে, যাহাদের রোজার বিনিময়ে অনাহারে থাকা ব্যাতিত আর কিছুই লাভ হয় না। আবার অনেক রাত্রী জাগরণকারী এমন আছে, যাহাদের রাত্রি জাগরণের কষ্ট ছাড়া আর কিছুই লাভ হয় না। (ইবনে মাজাহ্, নাসাঈ, ইবনে খুযাইমাহ, হাকিম)
ফায়দা/ব্যাখ্যা: এই হাদিসের ব্যাখ্যা সম্বন্ধে ওলাম
ায়ে কেরামের কয়েকটি অভিমত আছে। 
১. ইহা দ্বারা ঐ ব্যাক্তি কে বুঝানো হইয়াছে, যে সারাদিন রোযা রাখিয়া হারাম মাল দ্বারা ইফতার করে; রোযা রাখার দ্বারা যে পরিমাণ সওয়াব হইয়াছিল হারাম মাল খাওয়ার গোনাহ উহা হইতে বেশি হইয়া গেল। সুতরাং দিনভর শুধু অনাহারে থাকা ব্যাতিত তাহার আর কিছুই লাভ হইল না।
২. ঐ ব্যাক্তিকে বুঝানো হইয়াছে, যে রোযা রাখে, কিন্তু গীবত-শেকায়েত অর্থ্যাৎ অন্যের দোষ চর্চায় লিপ্ত থাকে। ইহারব বিবরণ পরে আসিতেছে।
৩. ঐ ব্যাক্তিকে বুঝানো হইয়াছে, রোযা রাখিয়াও গোনাহ ইত্যাদি হইতে বাঁচিয়া থাকে না। 
হূজূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এরশাদ ও বাণীসমূহ খুবই ব্যাপক ও বহুল অর্থবিশিষ্ট হয়; এইসব অভিমত এবং আরও অন্যান্য অভিমতও এই হাদিসের অন্তর্ভুক্ত রহিয়াছে।
এমনিভাবে রাত্রি জাগরণের অবস্থা। সারা রাত্র জাগিয়া কাটাইল; কিন্তু আমোদ-ফূর্তির জন্য একটু গীবত করিল কিংবা অন্যকোন আহাম্মকী কাজ করিল, যাহাতে তাহার সমস্ত রাত্রি জাগরণ বেকার হইয়া গেল। যেমন ফজরের নামাযই কাজা করিয়া দিল অথবা শুধু মানুষকে দেখানোর জন্য বা সুনাম অর্জনের জন্য রাত্রি-জাগরণ করিল। ফলে উহা বেকার হইল।
“পূর্বের হাদিসে বলা হয়েছে লোক দেখানো ইবাদত আল্লাহ কবুল করেন না। ”